আমাদের সম্পর্কে

m10 বাজি – বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং ও গেমিং প্ল্যাটফর্মের গল্প

আমরা কারা, কেন তৈরি হলাম এবং লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি খেলোয়াড় কেন m10-কে বেছে নেন – সেই সব কথা এখানে।

m10
বাংলাদেশের প্রিয় বেটিং ব্র্যান্ড
০
লক্ষ+ নিবন্ধিত সদস্য
০
+ গেম ও বেটিং মার্কেট
০
বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা
২৪/৭
বাংলা গ্রাহক সেবা
২০+
স্পোর্টস বিভাগ
৳৪৮ কোটি+
পুরস্কার বিতরণ
৩ সেকেন্ড
গড় পেআউট সময়
৯৮%
গ্রাহক সন্তুষ্টি

m10 বাজি – আমরা কারা

m10 বাজি বাংলাদেশের একটি পরিচিত নাম যেটা মানুষ বিশ্বাস করতে শিখেছে ধীরে ধীরে, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। আমরা কোনো হঠাৎ তৈরি হওয়া প্ল্যাটফর্ম নই – বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের সাথে থেকে, তাদের চাহিদা বুঝে, সেই অনুযায়ী নিজেদের তৈরি করেছি।

আমাদের টিম বিশ্বাস করে যে অনলাইন বেটিং শুধু টাকা জেতার জায়গা নয় – এটা বিনোদন, উত্তেজনা এবং প্রিয় খেলার সাথে আরও গভীরভাবে যুক্ত থাকার একটা উপায়। ক্রিকেটের সেই টান, ফুটবলের উত্তেজনা – m10-এ এসে সেই অনুভূতি আরও তীব্র হয়।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী – বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে m10-এর পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে। মোবাইলে বিকাশে পেমেন্ট, বাংলায় কাস্টমার সার্ভিস, দেশীয় পরিবেশের সাথে মিল রেখে তৈরি ইন্টারফেস – এই সব মিলিয়েই m10 আজ বাংলাদেশের প্রথম পছন্দ।

  • বিশ্বস্ততার পাঁচ বছর২০২০ সাল থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের সেবা দিয়ে আসছি নিরবচ্ছিন্নভাবে।
  • লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিতআন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত।
  • বাংলাদেশিদের জন্য তৈরিভাষা, পেমেন্ট পদ্ধতি, গেম – সব কিছু বাংলাদেশের বাস্তবতা মাথায় রেখে সাজানো।
  • নিরাপদ ও গোপনীয়SSL এনক্রিপশন ও দুই-স্তরীয় যাচাইয়ে আপনার তথ্য ও টাকা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

আমাদের মিশন ও দৃষ্টিভঙ্গি

🎯
আমাদের মিশন

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া – যেখানে প্রযুক্তি ও বিশ্বাস একসাথে চলে।

🔭
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা, যেখানে দায়িত্বশীলতা সবার আগে।

💡
আমাদের প্রতিশ্রুতি

প্রতিটি জমা ও উত্তোলন নিরাপদ, প্রতিটি ড্র স্বচ্ছ এবং প্রতিটি অভিযোগের দ্রুত সমাধান – এই তিনটি প্রতিশ্রুতি আমরা সর্বদা পালন করি।

m10 যা দেয়, অন্যরা যা দিতে পারে না

ছয়টি কারণে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি m10-কে বেছে নেন

সম্পূর্ণ বাংলায় সেবা

ইন্টারফেস থেকে সাপোর্ট – সব কিছু বাংলায়। বিদেশি ভাষার জটিলতা ছাড়াই মনের আরামে খেলুন। লাইভ চ্যাট, ইমেইল সব বাংলায় পাওয়া যায়।

বিকাশ-নগদে তাৎক্ষণিক লেনদেন

বিকাশ, নগদ, রকেটে জমা ও উত্তোলন সাধারণত ৫ মিনিটের মধ্যে হয়। ব্যাংক কার্ড ও ক্রিপ্টোও সমানভাবে সমর্থিত।

লাইভ বেটিং ও স্ট্রিমিং

ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস – শতাধিক ম্যাচে রিয়েলটাইম বেটিং। অনেক ম্যাচে সরাসরি লাইভ স্ট্রিমও দেখা যায় m10 প্ল্যাটফর্মে।

৫০০+ গেম এক জায়গায়

স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, লটারি, ফিশিং গেম – সব এক প্ল্যাটফর্মে। প্রতি মাসে নতুন গেম যোগ হচ্ছে।

প্রতিদিন নতুন প্রোমোশন

স্বাগত বোনাস, সাপ্তাহিক রিলোড, ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন – m10-এ অফারের কোনো শেষ নেই। VIP সদস্যদের জন্য আরও বিশেষ সুবিধা।

২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট

যেকোনো সমস্যায় রাত ৩টায়ও বাংলায় লাইভ চ্যাট করা যাবে। গড় রেসপন্স টাইম ২ মিনিটের কম।

আমাদের মূল্যবোধ

যে নীতিগুলো m10-কে পরিচালিত করে

একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম চালানো মানে শুধু গেম বা অডস দেওয়া নয় – এর পেছনে থাকে একটি দায়িত্বের অনুভব। m10-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তে চারটি মূল মূল্যবোধ কাজ করে।

০১
স্বচ্ছতা

প্রতিটি অডস, বোনাসের শর্ত ও পেমেন্টের হিসাব পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই।

০২
দায়িত্বশীলতা

অতিরিক্ত বেটিং ঠেকাতে আমরা সেলফ-লিমিট, কুলিং-অফ পিরিয়ড ও হেল্পলাইনের সুবিধা রাখি।

০৩
নিরাপত্তা

ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় – কোনো আপোষ নেই।

০৪
ন্যায্যতা

প্রতিটি গেমের ফলাফল RNG-নিয়ন্ত্রিত ও তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অডিটকৃত। ফলাফলে মানবিক হস্তক্ষেপ শূন্য।

m10-এর যাত্রা

কীভাবে একটি ছোট দল বাংলাদেশের বৃহত্তম বেটিং ব্র্যান্ড হয়ে উঠল

২০২০ সালের শুরুতে m10-এর পথচলা শুরু। সেসময় বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং ছিল, কিন্তু বাংলায় সেবা ছিল না। বিকাশে পেমেন্টের সুবিধা ছিল না। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য কাস্টমাইজড কিছু ছিল না। m10 সেই শূন্যতা পূরণ করতে এসেছিল।

প্রথম বছরেই ঢাকা ও চট্টগ্রামে ব্যাপক সাড়া মিলেছিল। ব্যবহারকারীরা বলতেন, "অবশেষে একটা প্ল্যাটফর্ম যেটা বাংলায় কথা বলে।" সেই মুখের কথাই ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে।

২০২২ সালে m10 লাইভ ক্যাসিনো যোগ করে এবং লটারি বিভাগ চালু হয়। ২০২৩ সালে VIP প্রোগ্রাম আসে এবং মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ হয়। প্রতিটি পদক্ষেপেই ব্যবহারকারীদের মতামত কেন্দ্রে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ m10 শুধু একটি বেটিং সাইট নয় – এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের দৈনন্দিন বিনোদনের অংশ। রাতের ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট, সকালে লটারির ফলাফল চেক করা, সাপ্তাহে একবার স্ক্র্যাচ কার্ড – m10 এখন জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে অনেকের কাছে।

ব্যবহারকারীর কথা

"m10 ব্যবহার শুরু করেছিলাম সন্দেহ নিয়ে। কিন্তু প্রথম উইথড্রটা যেদিন ৫ মিনিটে বিকাশে পেলাম, সেদিন থেকে আর পেছনে তাকাইনি। তিন বছর হলো এখানেই আছি।"
— রাফিকুল ইসলাম, ঢাকা

নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা

আপনার টাকা ও তথ্য সুরক্ষায় m10 যা করে

আন্তর্জাতিক লাইসেন্স

m10 আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। প্রতিটি কার্যক্রম নিয়মিত অডিটের আওতায়।

২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন

সব ডেটা ট্রান্সমিশন সামরিক মানের এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষ অ্যাক্সেস করতে পারে না।

সার্টিফাইড RNG

সমস্ত গেমের ফলাফল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত RNG প্রযুক্তিতে নির্ধারিত হয় এবং ইটেস্ট ল্যাবস কর্তৃক যাচাইকৃত।

KYC যাচাই ব্যবস্থা

প্রতিটি অ্যাকাউন্ট পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায় যা প্রতারণা ও অপব্যবহার রোধ করে।

আলাদা ফান্ড সংরক্ষণ

ব্যবহারকারীদের জমার অর্থ কোম্পানির অপারেটিং ফান্ড থেকে আলাদা রাখা হয় – যেকোনো পরিস্থিতিতে টাকা নিরাপদ।

দায়িত্বশীল গেমিং টুলস

জমার সীমা, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সময় ট্র্যাকার – নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব টুলস বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ আমাদের বাড়ি

m10 কোনো বিদেশি কোম্পানির বাংলাদেশ শাখা নয় – আমরা বাংলাদেশকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছি। আমাদের কাস্টমার সাপোর্ট দলের বেশিরভাগই বাংলাদেশি, যারা বোঝেন এখানকার মানুষের কথা, তাদের সমস্যা এবং তাদের অপেক্ষার ধৈর্য।

বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিপ্লবকে m10 সবার আগে গুরুত্ব দিয়েছে। যখন অনেক প্ল্যাটফর্ম শুধু ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক ট্রান্সফার রাখছিল, m10 তখন বিকাশ ও নগদ যোগ করেছিল। কারণ আমরা জানতাম – বাংলাদেশের মানুষ মোবাইলেই সব করে।

ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশিদের ভালোবাসা অতুলনীয়। m10 সেটা বোঝে। তাই BPL মৌসুমে বিশেষ মার্কেট, বাংলাদেশ দলের ম্যাচে বাড়তি অডস বুস্ট এবং ক্রিকেট-কেন্দ্রিক প্রোমোশন – এগুলো m10-এর পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে।

আমরা কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্বেও বিশ্বাসী। দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে m10 নিয়মিত কাজ করে এবং অতিরিক্ত জুয়ার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে খেলোয়াড়দের শিক্ষিত করে তোলে।

আমাদের পরিসংখ্যান

সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয় – প্রতিটি সংখ্যার পেছনে আছে একটি মানুষের বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা।

নিবন্ধিত সদস্য ২৪ লক্ষ+
প্রতিদিন গড় ব্যবহারকারী ৩.৫ লক্ষ+
মোট গেম ও মার্কেট ৫০০+
মোট পুরস্কার বিতরণ ৳৪৮ কোটি+
গড় অ্যাপ রেটিং ৪.৭ / ৫
গড় উইথড্র সময় < ১০ মিনিট
পরিচয় যাচাই সম্পর্কে

m10-এ উইথড্র করার আগে একবার পরিচয় যাচাই (KYC) সম্পন্ন করতে হয়। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে। বিস্তারিত নিচের FAQ-এ দেখুন।

আমাদের দলের পরিচয়

m10-এর পেছনে যে বিশেষজ্ঞরা আছেন

👨‍💼
আরিফ হোসেন
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

১০ বছরের গেমিং শিল্পের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের বেটিং মার্কেটকে নতুন রূপ দেওয়ার স্বপ্নদ্রষ্টা।

👩‍💻
নাজনীন আক্তার
প্রযুক্তি প্রধান

সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। m10-এর সব টেকনিক্যাল অবকাঠামো তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।

👨‍🎯
তানভীর রহমান
পণ্য প্রধান

UX ডিজাইন ও গেমিং প্রোডাক্টে বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নয়নে কাজ করেন।

👩‍⚖️
সুমাইয়া বেগম
কমপ্লায়েন্স প্রধান

আন্তর্জাতিক গেমিং আইন ও বাংলাদেশের নিয়মকানুন মেনে চলা নিশ্চিত করেন।

আজই শুরু করুন

m10 পরিবারের অংশ হয়ে যান – ২৪ লক্ষেরও বেশি সদস্য ইতিমধ্যে যোগ দিয়েছেন

নিবন্ধন করুন, ১০০% স্বাগত বোনাস পান এবং বাংলাদেশের সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন। বিকাশে ডিপোজিট, বাংলায় সাপোর্ট – সব প্রস্তুত।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

m10 অ্যাকাউন্ট ও পেমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর

m10 উইথড্রলে কোনো প্রসেসিং চার্জ নেয় না – যা তুলতে চান পুরোটাই পাবেন। তবে আপনার মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ/রকেট) নিজস্ব লেনদেন ফি নিতে পারে সেটা তাদের নির্ধারিত নিয়মে হয়, m10 নিয়ন্ত্রণ করে না। একবারে সর্বনিম্ন উইথড্র ৳৫০০ এবং সর্বোচ্চ দৈনিক সীমা সাধারণত ৳৫০,০০০। VIP সদস্যদের জন্য দৈনিক সীমা বেশি থাকে – Diamond স্তরে ৳২,০০,০০০ পর্যন্ত। একটি দিনে একাধিক বার উইথড্র করা যায় যতক্ষণ দৈনিক সীমা না ছাড়ায়। বোনাস ব্যালেন্স উইথড্র করতে হলে ওয়েজার আগে পূরণ করতে হবে – মূল ব্যালেন্স যেকোনো সময় তোলা যাবে।

m10-এ KYC যাচাইয়ের জন্য সাধারণত তিনটি জিনিস প্রয়োজন হয়। প্রথমত, সরকার অনুমোদিত পরিচয়পত্র – জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট বা জন্ম নিবন্ধন সনদ। দ্বিতীয়ত, আপনার সেলফি বা ছবি যেখানে পরিচয়পত্র হাতে ধরে আছেন। তৃতীয়ত, ঠিকানা প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট (প্রয়োজন হলে)। এই কাগজগুলো অ্যাকাউন্টের "যাচাই" বা "Verification" বিভাগে আপলোড করুন। সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়। একবার যাচাই হলে আর করতে হয় না। যাচাই করা না থাকলেও জমা দেওয়া ও বেটিং করা যাবে, তবে উইথড্রলের আগে অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

যেকোনো প্রশ্ন, পরামর্শ বা অভিযোগে আমরা সবসময় পাশে আছি। বাংলায় কথা বলুন, আমরা বুঝব।

লাইভ চ্যাট ২৪/৭ · বাংলায় ইমেইল সাপোর্ট · গড় রেসপন্স ২ মিনিট

English